[ নিউজ ডেস্ক ]
বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন রেলপথ, ইঞ্জিন, কোচ ও ওয়াগনসহ যাবতীয় সম্পদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন জাতীয় সম্পদ—এ কথা উল্লেখ করে রেলের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রেল একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং দেশের সকল নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব। তবে সম্প্রতি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, অযৌক্তিকভাবে রেললাইন অবরোধ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে রেললাইনের ক্ষতিসাধনের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে।

এসব ঘটনায় যাত্রীসাধারণকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের ঘটনার ফলে ট্রেন পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যেহেতু রেল একটি জাতীয় সম্পদ, তাই এর ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসানের দায় শেষ পর্যন্ত সাধারণ জনগণের ওপরই পড়ে। ফলে রেলের ক্ষতিসাধন প্রতিরোধ করা দেশের সকল নাগরিকের নৈতিক ও পবিত্র দায়িত্ব।
রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীসাধারণকে মানসম্মত সেবা দিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে সকল নাগরিকের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে জানায়, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন বা এর চেষ্টা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। রাজনৈতিক, সামাজিক বা অন্য যেকোনো কর্মসূচির নামে বেআইনি পন্থায় রেলের ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের আওতায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
